একমাস বন্ধের পর আবারো শিক্ষার্থীদের পাবিপ্রবিতে বিক্ষোভ
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় এক মাস বন্ধ থাকার পর খোলার প্রথম দিনেই তোপের মুখে পরেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ক্যাম্পাসে এসেই শিক্ষার্থীরা ১০ ছাত্র বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার ও ছয়দফা দাবীতে বিক্ষোভ করে। ররিবার সকাল থেকে ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। এ সময় শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শরীর থেকে রক্ত বের করে ক্যম্পাসে তাদের দাবী দাওয়া লেখেন। শিক্ষার্থীরা অযোগ্য প্রশাসনের হাত থেকে বিশ^বিদ্যালয়কে মুক্ত করে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনারও দাবী জানান। ক্যম্পাসে সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরে না আসা পর্যন্ত তারা সকল ক্লাশ পরীক্ষা বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয়।
বিক্ষোভকারীরা জানান, গত ৫ নভেম্বর ৬ দফা দাবীতে আমরা ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ ভাবে আন্দোলন করি। দীর্ঘ তিন বছর ধরে আমরা এই আন্দোলন করে আসছিলাম। ভিসি স্যার আমাদের যৌক্তিক দাবী মেনে নেয়ার জন্য আমাদের কাছ থকে সময় নিয়ে রিজেন্ট বোর্ডের জরুরী সভা করে আন্দোলনরত দশ শিক্ষার্থীকে অবৈধ ভাবে বহিস্কারাদেশ দিয়ে ক্যাম্পাস অনির্দষ্ট কালের জন্য বন্ধ ঘোষনা করে। দীর্ঘ একমাস এই ক্যাম্পাস বন্ধ রেখে আমাদের শিক্ষার কার্যক্রম পিছিয়ে দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, রক্ত দিয়ে হলেও আমরা আমাদের ন্যায্য দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে বলে জানান।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা নিজেদের শরীর থেকে সিরিঞ্জ দিয়ে রক্ত বের করে ক্যম্পাসে তাদের দাবীগুলো লিখে দেয়। তাদের দাবী রক্ত দিয়ে হলেও আদায় করা হবে বলেও জানান তারা।
বিক্ষোভকারীরা জানান, গত ৫ নভেম্বর ৬ দফা দাবীতে আমরা ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ ভাবে আন্দোলন করি। দীর্ঘ তিন বছর ধরে আমরা এই আন্দোলন করে আসছিলাম। ভিসি স্যার আমাদের যৌক্তিক দাবী মেনে নেয়ার জন্য আমাদের কাছ থকে সময় নিয়ে রিজেন্ট বোর্ডের জরুরী সভা করে আন্দোলনরত দশ শিক্ষার্থীকে অবৈধ ভাবে বহিস্কারাদেশ দিয়ে ক্যাম্পাস অনির্দষ্ট কালের জন্য বন্ধ ঘোষনা করে। দীর্ঘ একমাস এই ক্যাম্পাস বন্ধ রেখে আমাদের শিক্ষার কার্যক্রম পিছিয়ে দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, রক্ত দিয়ে হলেও আমরা আমাদের ন্যায্য দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে বলে জানান।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা নিজেদের শরীর থেকে সিরিঞ্জ দিয়ে রক্ত বের করে ক্যম্পাসে তাদের দাবীগুলো লিখে দেয়। তাদের দাবী রক্ত দিয়ে হলেও আদায় করা হবে বলেও জানান তারা।
এ বিষয়ে কয়েকজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আমরা ক্লাশ নেওয়ার জন্যে সকালে ক্যম্পাসে এসেই দেখি শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছেন। আসলে বুঝতে পারছি না কেন এমন হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোন যুক্তিতে শিক্ষার্থীদের সাথে সমঝোতা ছাড়াই ক্যম্পাস খুলে দিলো। ক্লাশ বা পরীক্ষাই যদি না হয় তাহলে কোন যুক্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া হলো। আর এই সামান্য বিষয়ে যদি প্রশাসন শিক্ষার্থীদের সাথে সমঝোতা না করতে পারেন তাহলে তাদের কাজ টা কি? সেইটা আমাদের বোধগম্য নয়।
তবে এই ঘটনায় বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন কোন বক্তব্য দিতে রাজী হয়নি।



কোন মন্তব্য নেই