ভাড়ারায় আ.লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ২ আহত ১০
পাবনার ভারাড়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে দুইজন নিহত ও ১০ গুরুতর আহত হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে আওরঙ্গবাদ খয়ের বাগান এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলো: সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের আরঙ্গবাদ খয়েরবাগান গ্রামের মৃত জাহেদ আলী শেখের ছেলে আব্দুল মালেক ও মৃত গহের আলী খানের ছেলে লষ্কর আলী খান। এই ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনা স্থলে অতিরক্তি পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নিহত লষ্কর খানের নাতি রাতুল হোসেন বলেন, আজ সন্ধায় খয়ের বাগানে আওয়ামীলীগের নির্বাচনি আলোচনা সভা ছিলো। আমর চাচা সুলতান ওই সভায় যাওয়ার জন্য বাড়িতে প্রস্তুতি নিচ্ছিলো। এই সময় সাইদ চেয়ারম্যান তার লোকবল নিয়ে আমাদের বাড়িতে হামলা করে। আমার চাচা সুলতালকে গুলি করতে গেলে আমার দুই দাদা লষ্কর খান ও আব্দুল মালেক সামনে এগিয়ে আসলে তাদেরকে গুলি করে। গুলিবৃদ্ধ হয়ে তারা দুজনি ঘটনাস্থলে মারাযান। এই সময় আমার চাচা সুলতান সহ আরো ১০/১২ জন আহহ হয়েছেন।
পাবনা সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এবনে মিজান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গ্রামটি পদ্মা নদীর চর এলাকা হওয়ায় আসছে শুষ্ক মৌসুমে ব্যাপক বালি উত্তেলন হয় ওই এলাকায়। প্রতিদিন শত শত ট্রাক বালি উত্তোলন করে একটি চক্র। আর এই বালি উত্তোলনকে কেন্দ্র করেই স্থানীয় আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে ঝামেলা চলে আসছিল। একটি গ্রুপের নেতৃত্ব দেন পাবনা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ভাড়ারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ ও অপর গ্রুপের নেতৃত্ব দেন স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতা সুলতান আহমেদ। সোমবার সন্ধায় খয়ের বাগান এলাকায় এই দুই গ্রুপের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে ব্যাপক গুলাগুলি হলে ঘটনা স্থলে দুইজন নিহত হন। গুলিবৃদ্ধসহ আহত হয়েছেন ১০জন। নিহত ও আহতোরা সুলতান গ্রুপের লোক। তিনি আরো জানান, বিষটি খতিয়ে দেখতে পুলিশি তদন্ত শুরু এবং এলাকায় পরিস্থিতি সাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।



কোন মন্তব্য নেই