ভাড়ারায় আ.লীগের ২ গ্রুপের সংঘর্ষে ২জন নিহতের ঘটনায় মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ
নিজস্ব প্রতিবেদক, পাবনামেইল টোয়েন্টিফোর ডটকম:
পাবনার ভারাড়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে নিহত দুইজনের মৃতদেহ নিয়ে শহরে বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। এ সময় তারা হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত দাবী করে সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ভাড়ারা ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাইদ খানের ফাঁসি চেয়ে বিভিন্ন শ্লোগান দেন। বিক্ষোভকারা হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবীতে ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে। এদিকে মঙ্গলবার দুপরে কড়া নিরপত্তার মধ্য দিয়ে নিহত লস্কর খান ও আব্দুল মালেকের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করেছে পুলিশ। মরদেহ দাফন শেষে মামলা দায়ের করা হবে বলে জানিয়েছেন নিহতের স্বজনরা।
মঙ্গলবার নিহত দুইজনের মরদেহ নিতে ভাড়ারা এলাকা থেকে কয়েক হাজার নারী পুরুষ পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভীর করে। এ সময় অপ্রিতিকর ঘটনা এড়াতে হাসপাতাল চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরে বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে পুলিশ ময়না তদন্ত শেষে নিহত লষ্কর খানের ছেলে সুলতান আহমেদের নিকট মরদেহ দুটি হস্তান্তর করে। মরদেহ নিয়ে কড়া পুলিশী প্রহরায় গ্রামে ফেরার পথে তারা শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেন। বিক্ষোভকারা হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবীতে ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বিভিন্ন শ্লোগান দেয়। হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত দাবী করে সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ভাড়ারা ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাইদ খানের গ্রেফতার ও ফাঁসি দাবী করে বলেন, আগামী তিনদিনের মধ্যে হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনা না হলে পুরো পাবনা শহর অবরোধ করে অচল করে দেওয়া হবে।
মঙ্গলবার নিহত দুইজনের মরদেহ নিতে ভাড়ারা এলাকা থেকে কয়েক হাজার নারী পুরুষ পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভীর করে। এ সময় অপ্রিতিকর ঘটনা এড়াতে হাসপাতাল চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরে বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে পুলিশ ময়না তদন্ত শেষে নিহত লষ্কর খানের ছেলে সুলতান আহমেদের নিকট মরদেহ দুটি হস্তান্তর করে। মরদেহ নিয়ে কড়া পুলিশী প্রহরায় গ্রামে ফেরার পথে তারা শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেন। বিক্ষোভকারা হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবীতে ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বিভিন্ন শ্লোগান দেয়। হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত দাবী করে সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ভাড়ারা ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাইদ খানের গ্রেফতার ও ফাঁসি দাবী করে বলেন, আগামী তিনদিনের মধ্যে হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনা না হলে পুরো পাবনা শহর অবরোধ করে অচল করে দেওয়া হবে।
নিহত লস্কর খানের পুত্র সুলতান খান বলেন, গত ইউপি নির্বাচনে আবু সাইদ খানের বিরুদ্ধে প্রতিদ্ব›ন্দ্বীতা করায় আমার উপর ক্ষিপ্ত হয় সে। এরই জেরে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে সোমবার আবু সাইদ খান সশস্ত্র ক্যাডার বাহিনী নিয়ে আমাদের উপর হামলা করে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে আমার বাবাকে হত্যা করেছে। আমি আবু সাইদ খানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানাচ্ছি। ইতিপূর্বেও ২০১৬ সালে আমারসহ আমার লোকজনের বাড়ি ঘর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের নিয়ে সাঈদ চেয়ারম্যান এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। দলের নাম ভাঙ্গিয়ে নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালি উত্তেলনসহ এমন কোন অপকর্ম নেই যে সে বা তার লোকজন করেন না।
ঘটনার বিষয়ে ভাড়ারা ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ খান বলেন, সোমবারের ঘটনার সাথে আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই। সুলতানের সাথে আমার কোন পূর্ব বিরোধ নেই। শত্রুতা বশত সুলতান এই ঘটনার সাথে আমাকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। ইউপি নির্বাচনে হেরে আমর ক্ষতি করা চেষ্টা করছে। সুলতান আওয়ামীলীগের কেউ নয়, তার পরিবার জামাত বিএনপির এজেন্ট এবং সে জাসদ করতেন।
পাবনা সদর থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সোহেল হাসান শাহীন বলেন, সুলতান আহমেদ গত দুই বছর পূর্বে আওয়ামীলীগের যোগ দিয়েছেন। তবে এই ঘটনা রাজনৈতিক নয়। ব্যাক্তিগত বিরোধের কারনে হয়েছে। আমরাও এই হত্যাকান্ডের বিচার দাবী করি।
ঘটনার বিষয়ে ভাড়ারা ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ খান বলেন, সোমবারের ঘটনার সাথে আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই। সুলতানের সাথে আমার কোন পূর্ব বিরোধ নেই। শত্রুতা বশত সুলতান এই ঘটনার সাথে আমাকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। ইউপি নির্বাচনে হেরে আমর ক্ষতি করা চেষ্টা করছে। সুলতান আওয়ামীলীগের কেউ নয়, তার পরিবার জামাত বিএনপির এজেন্ট এবং সে জাসদ করতেন।
পাবনা সদর থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সোহেল হাসান শাহীন বলেন, সুলতান আহমেদ গত দুই বছর পূর্বে আওয়ামীলীগের যোগ দিয়েছেন। তবে এই ঘটনা রাজনৈতিক নয়। ব্যাক্তিগত বিরোধের কারনে হয়েছে। আমরাও এই হত্যাকান্ডের বিচার দাবী করি।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (অপারেশন) জালাল উদ্দিন বলেন, সোমবার সন্ধ্যার সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ওই এলাকায় আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় পাবনা সদরের ভাড়ারা ইউনিয়নের আওরঙ্গবাদ খয়ের বাগান এলাকায় স্থানীয় আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের গুলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে আরঙ্গবাদ খয়েরবাগান গ্রামের মৃত জাহেদ আলী শেখের ছেলে আব্দুল মালেক ও মৃত গহের আলী খানের ছেলে লষ্কর আলী খান গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়। নিহত লষ্কর আলী খান এক পক্ষে নেতৃত্বদানকারী সুলতানের বাবা ও অপরজন চাচা।



কোন মন্তব্য নেই