Pabna



সাঁথিয়ায় বিয়ের প্রলোভনে বিধবা গৃহবধুকে ধর্ষণ, অন্ত:স্বত্ত্বা ধর্ষিতার বিচার দাবী

                     
সাঁথিয়া প্রতিনিধি, পাবনামেইল টোয়েন্টিফোর ডটকম:
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার বহলবাড়িয়া গ্রামের জেলে থাকা জটিল রোগের আক্রান্ত স্বামীর মৃত্যুর পর বিয়ে করে স্ত্রীর স্বীকৃতি দেওয়ার প্রলোভনে ধর্ষন করার অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের কাঠ মিস্ত্রি আনোয়ার হোসেন আনসুর বিরুদ্ধে (৩৮)।

বিয়ের প্রলোভন দিয়ে শারীরিক মেলা মেশায় অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে বিধবা ওই মহিলা। ইতো মধ্যে গত ২০ মে জেলখানায় মারা যায় ওই মহিলার স্বামী। নিজেও অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ায় বিয়ের জন্য চাপ দেন আনসুকে। কাঠ মিস্ত্রি তার কথায় বিয়েতে রাজী না হয়ে সন্তান নষ্টের ঔষুধ সেবনের জন্য চাপ দেন ওই মহিলাকে। 

পরে এলাকার প্রধানদের নিকট বিচার চান সে। বিচার চাওয়ায় গ্রাম্য প্রধান আমজাদ হোসেন ছেলে বজলু আনসুর পক্ষ নিয়ে ২৮ মে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই মহিলাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের মারপিট করে। গ্রাম্য বিচার না পেয়ে ক্ষেতুপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবর ২৯ জুন একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ৩১ মে ইউনিয়ন পরিষদে শালিসী বৈঠকে ভালো করে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য সময় নেওয়া হয়।

অন্তঃসত্ত্বা ওই মহিলা জানান, আমার স্বামী জেল হাজতে থাকায় আনসু প্রায়ই বিভিন্ন অজুহাতে আমার বাড়িতে আসত। একদিন গোপনে ঘরে ঢুকে জোড় পূর্বক আমার সাথে মেলা মেশা করে। আমি চিৎকার দিতে চাইলে সে বলে বাবু মারা গেলে আমি তোকে বিয়ে করব। আমি সঠিক বিচার চাই বলেও দাবী করেন ওই মহিলা

ক্ষেতুপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুনসুর আলম পিনচু জানান, ধর্ষক ঘটনার সাথে জড়িত নয় বলে দাবি করায় সন্তানের ডিএনএ টেষ্টের পরামর্শ দিয়েছি। ডাক্তারী কাগজপত্র হাতে পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কোন মন্তব্য নেই