Pabna



সাড়ম্বরে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালন করলো পাবিপ্রবি ছাত্রলীগের দুইদিনব্যাপী উৎসবের সমাপ্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক, পাবনামেইল টোয়েন্টিফোর ডটকম:
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অত্যান্ত জাকজমকপূর্ণ ভাবে দুইদিন ব্যাপী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৩তম জন্মদিন পালন করেছ বাংলাদেশ ছাত্রলীগ পাবিপ্রবি শাখা। দুইদিন ব্যাপাী এই জন্মদিন পালন অনুষ্ঠানের মধ্যে তারা বৃক্ষ রোপন, আনন্দ মিছিল, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও কেট কাটাসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান ছিল। 
রবিবার সকালে পাবিপ্রবি ক্যম্পাসে ৭৩টি গাছের চারা রোপনের মাধ্যমে ২য়দিনের কর্মসূচী পালন করেন। প্রথম দিনের অনুষ্ঠানে প্রাধান অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষক আওয়াল কবির জয়। ২য়দিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথী ছিলেন প্রো-ভিসি ড. আনোয়ারুল ইসলাম। 
গত শনিবার সকাল ১১টায় বৈরি প্রকৃতি উপেক্ষা করে বৃষ্টির মধ্যে ছাত্রলীগের অভিভাবক শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে আনন্দ মিছিল ও কেক কাটার আয়োজন করে। বিকাল ৫টা ১৫মিনিটে আসরের নামাজের শেষে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন। 

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, পাবিপ্রবি শাখা প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালন করলেও শেখ হাসিনার সরকারের আমলে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোন জন্মদিন পালন না করায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা  ক্ষোভ প্রকাশ করেন। 
ছাত্রলীগ নেতারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা সরকারের আশির্বাদপুষ্ট পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দেশরতেœর কথা ভুলে যায় কিভাবে। তাঁর শাসনামলে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন পাশ হয় এবং ২০০১ পরবর্তী বিএনপি সরকারের আমলে এর স্থাপনের কাজ স্থগিত করা হয়। পরে ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে স্থাপিত হয়। ২০০৯ সাল থেকে পুনরায় শেখ হাসিনার সরকার বিভিন্ন উন্নয়ণ কর্মসূচী গ্রহনের পর পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এই অবস্থায়  এসেছে। অন্তত সেই কৃতজ্ঞতায় তাঁর জন্মদিন পালন করা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত ছিল। অপরদিকে ২০০৯ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত শেখ হাসিনা সরকারের অভুতপুর্ব উন্নয়ন সম্পর্কে  একটা সেমিনারের আয়োজন করতে পারতেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।  
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু দেশপ্রেম, জাতির জন্য নিজ জীবন যৌবন ত্যাগ করে বাংলাদেশ, বাঙালিদের উপহার দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। তার অনুপস্থিতিতে তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনাই বর্তমানের বাংলাদেশ। পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে তিনি বহুবার মত্যুর মুখোমুখি হয়েছেন। কিন্তু কখনোই পিছু হটেন নাই তিনি। প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা এক মৃত্যুঞ্জয়ী ধ্রুবতারার নাম। তিনি যেভাবে এদেশের মানুষের সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন জনগণের উচিত এমন সরকার বারবার নির্বাচিত করা।  
পাবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি মাহমুদ চৌধূরী আসিফ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে তার দীর্ঘায়ু কামনা করি। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই দিনে কোন কর্মসূচী গ্রহন না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। যদি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকতো তাহলে অবশ্যই কর্মসূচী গ্রহন করতেন। 
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথী আওয়াল কবির জয় বলেন, সাধারণের অসাধারণ নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজ দক্ষতায় আওয়ামীলীগ বা বাংলাদেশেরই নন, তিনি সমগ্র বিশ্বেই নেতৃত্বের রোল মডেল। একের পর এক গৌরবের মুকুট অর্জন করে তিনি কেবল নিজেই সম্মানিত হননি, সম্মানিত করেছেন বাংলাদেশকেও। এমন নেতৃকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পেয়ে আমরা ধন্য। আজকের এই দিনে তার দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেন তিনি।  
২য়দিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথী ছিলেন প্রো-ভিসি ড. আনোয়ারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথী ছিলেন, কোষাধাক্ষ্য আনোয়ার খসরু পারভেজ, বানিজ্য অনুষদের ডীন ড.মুশফিকুর রহমান, রিজেন্ট বোর্ড সদস্য ড. আব্দুল আলীম, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগে শিক্ষক কামাল হোসেন, অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক ইয়াহিয়া ব্যাপারীসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।  

কোন মন্তব্য নেই