শহরের বিপনী বিতানগুলোতে কেউ মানছে না সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্য বিধি
নিজস্ব প্রতিনিধি, পাবনামেইল টোয়েন্টিফোর ডটকম:
পাবনা শহরের বিপনী বিতানগুলিতে মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্য বিধি। বিধিনিষেধ থাকার পরেও শতসাপেক্ষে কিছুটা শিথিল করে দেওয়ায় লোকজন বিপনী বিতানগুলিতে হুমড়ী খেয়ে পরেছে। এমন কি দোকানীদের মধ্যেও নেই কোন প্রকার স্বাস্থ্য বিধি বা সচেতনতা। অনেকেই হাতে গ্লাবস বা মাস্ক ছাড়াই বেপরোয়া ভাবে বিপনী বিতানগুলিতে কেনাকাটা বা ঘুরাফেরা করছেন। প্রশাসনেরও তৎপরতা সে ভাবে চোখে পরেনি। ফলে করোনা ঝুকি ভয়াবহ রুপ নিতে পারে বলে ধারনা সুশীল সমাজের।
শহরের নিউ মাকেট, হাজী মাকেট, খান বাহাদুর শপিং মল, এ আর শপিং মল, সেভেন ষ্টার মাকেট, সেঞ্চুরী প্লাজা, দই বাজার এলাকাসহ বিভিন্ন বিপনী বিতান গুলি ঘুরে দেখা গেছে এই চিত্র। সব বাজারেই দেখা গেলো পণ্য কিনতে আসা সাধারণ মানুষ কোনো সামাজিক দূরত্ব'ই মানছেন না। শুধু তাই নয়, অনেকেই পণ্য কিনতে আসছেন মাস্ক বা গ্লাভস ছাড়াই।
অথচ করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সতকতার পাশাপাশি স্বাস্থ্য বিধি মেনে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা বা কেনাকাটা করা প্রয়োজন বলে দাবী পাবনার সুশীল সমাজের। তাছাড়া করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ভয়াবহ রুপ নিতে পারে বলে ধারনা তাদের। অপরদিকে বাজার কেন্দ্রিক মোটর চালিত রিকশা গুলোতে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে ২ থেকে ৪ জন। প্রশাসনের সামনে এ ধরনের চলাফেরা করলেও আইন প্রয়োগকারী সস্থাগুলোর সদস্যরা নিশ্চুপ থাকতে দেখা গেছে।
এ বিষয়ে পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সম্পাদক উৎপল মির্জা বলেন, বিভিন্ন অজুহাতে অনেকেই মাস্ক পড়ছে না, দূরত্বও মানছে না। মানুষ জন আর আগের মতো সরকারি বিধি-নিষেধ মানছেন না। দিনভর ইচ্ছামতো চলাচল করলেও কারো কোন প্রকার মাথাব্যাথা নেই।
গত ১৬ এপ্রিল পাবনার চাটমোহরে প্রথম করোনা ভাইরাস রোগী শনাক্ত হওয়ার পর এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ জন, সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরে গেছেন মাত্র একজন।



কোন মন্তব্য নেই