Pabna



বাঁশের চেয়ে কঞ্চি মোটা, গত ২৪ ঘন্টায় পাবনায় ৫৭ না ৩১ জনের করোনা শনাক্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি, পাবনামেইল টোয়েন্টিফোর ডটকম-
পাবনায় গত চব্বিশ ঘন্টায় ৫৭ না ৩১ জন করোনা সনাক্ত হয়েছেন বিষয়টি নিয়ে পাবনার সিভিল সার্জন অফিসের দুইজন দুই রকম তথ্য দিয়ে সাংবাদিকদের বিভ্রান্ত করছেন বলে অনেক গনমাধ্যমকমী অভিযোগ করেছেন।

পাবনার সিভিল সাজন ডা: মেহেদী ইকবাল এক ধরনের তথ্য দিচ্ছেন অপরদিকে তারই নিয়ন্ত্রনে করোনা কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বে থাকা ডা: আব্দুর রহিম অন্য রকম তথ্য দিচ্ছেন। এখানে মনে হচ্ছে বাঁশের চেয়ে কঞ্চি মোটা হওয়ার গল্পের মতো।

বিভিন্ন গনমাধ্যম কমীরা আরো জানান, পাবনা সিভিল সাজন অফিস একদম লেজেগোবরে অবস্থা। তারা কোভিড-১৯ শুরু হওয়ার পর থেকেই একেক জন একেক ধরনের তথ্য দিয়ে আসছেন। আবার কখনো কখনো এক কথা বলে অন্যজনের নিকট অন্য রকম বলে যাচ্ছেন। বিষয়টি একদম চেইন অব কমান্ড ভে্েগ পরেছে বলে তাদের দাবী।

আজ শনিবার কয়েকজন সাংবাদিকদের পাবনার সিভিল সার্জন ডা: মেহেদী ইকবাল জানান ৩১ জন করোনা পরীক্ষায় পজেটিভ এসেছে। একই সময়ে করোনা কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বে থাকা ডা: আব্দুর রহিম কয়েকজন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন পাবনায় শনিবার মোট ৫৭ জন সনাক্ত হয়েছে। এখানে দুই কর্মকর্তা দুই রকম কথা বলেছেন। এরা কি ধরনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা তা নিয়ে অনেকেই হাসাহাসি ও তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করেছেন। মূলত তাদের দায়িত্ব জ্ঞানহীনতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সাংবাদিকরা। অনেকেই বিষয়টিকে একদম ফাজলামোর কথা বলেছেন। সরকারী কোষাগারের ঠাকা অপচয় করে দায়হীন ভাবে কাজ করছেন বলেও সাংবাদিকদের অভিযোগ।

নাম প্রকাশ না করার শতে এক সাংবাদিক অভিযোগ করেন, আমি প্রথমে ৩১ জনের নিউজ পাঠানোর পর আমাকে জানানো হলো ৫৭ জন। কিছুক্ষন পর আবার বলা হলো ৩১ জন শনাক্ত। এখন আবার বলেছেন ৫৭ জন। আমি কয় বার ঠিক করে দিব অফিসকে। বিষয়টি নিয়ে অফিসের লোকজনের সাথে হাস্যরসের খোরাক হলো।

অপরদিকে আরেক সাংবাদিক বলেন, সিভিল সার্জন (সিএস) অফিসের কান্ডজ্ঞানহীন এমন তথ্যে রীতিমত ভড়কে গেছি, পরে আজকের নিউজটি পাঠাতেই পারি নাই।

তবে, তাদের মোদ্দা কথা হলো: গত ২৪ ঘন্টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজের করোনার পিসিআর ল্যাব থেকে পাঠানো নমুনায় ৩১ জন করোনা সনাক্ত হয়েছে আর ঢাকা থেকে নমুনা সনাক্ত হয়েছে ২৬জন মোট ৫৭ জন।

রাজশাহীর ৩১ জনের মধ্যে পাবনা সদর উপজেলায় ২৬ জন, ঈশ্বরদী উপজেলায় একজন চিকিৎসকসহ ৪ জন ও আটঘরিয়া উপজেলায় ১ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে।

ঢাকার রিপোর্টের ২৬ জনের তথ্যের মধ্যে ঈশ্বরদী ২ জন, সদরে ১২ জন, সুজানগর ৮ জন, আটঘরিয়ায় ১জন, ভাঙ্গুড়ায় ৩ জন রোগী শনাক্ত হয়। 

কোন মন্তব্য নেই