পাবনা-২ আসনের সর্বস্তরের জনসাধারনের হয়ে কাজ করতে চাই- কামরুজ্জামান উজ্জল
নিজস্ব প্রতিনিধি, পাবনামেইল টোয়েন্টিফোর ডটকম-
পাবনা-২ (সুজানগর-বেড়া আংশিক) আসনে এবার নৌকার হাল ধরতে চান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক একেএম কামরুজ্জামান উজ্জ্বল। মাঠে তিনি বর্তমানে আলোচনার শীর্ষে অবস্থান করছেন।
জানা গেছে, পাবনার সুজানগর উপজেলার মালিফা গ্রামে জন্ম গ্রহন করা তারুণ্যদীপ্ত এই মানুষটি কামরুজ্জামান উজ্জ্বল এই আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার লক্ষ্যে নিরলস ভাবে দলের জন্য কাজ করে চলেছেন। তবে তিনি মনোনয়ন পাওয়া না পাওয়ার বিষয়টি চিন্তা না করে দলের জন্যে কাজ করে যাচ্ছেন। তার দাবী মাঠে কাজ করলে কাজের ফল হাতের মুঠোয় এমনিতেই চলে আসবে। সেই বিশ্বাস আর লক্ষ্য নিয়েই তিনি সুজানগর ও বেড়া উপজেলার আংশিক নিয়ে গঠিত পাবনা-২ আসনের প্রতিটি গ্রামে ও ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে উঠান বৈঠক থেকে শুরু করে সভা সমাবেশ সব ধরনের কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছেন।
দলীয় কোন্দলের অবসান ঘটিয়ে কাজ করার চেষ্টা করছেন আওয়ামীলীগ নেতা কামরুজ্জামান উজ্জল। বর্তমানে তার অবস্থান অনেক শক্তিশালী বলে জানিয়েছেন সুজানগরের একাধি আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, এর আগে সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগে দুটি ধারা চলমান ছিল। একটি হলো সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কাশেম মাস্টার গ্রুপ এবং অপরটি হলো উপজেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক (বর্তমান উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র) আবদুল ওহাব গ্রুপ। এ কারণে দলের মধ্যে কোন্দল লেগেই থাকত। এ নিয়ে দলে সংঘর্ষসহ হানাহানি লেগেই থাকতো। ২০১৫ সালে আবুল কাশেম মাস্টারের মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুজ্জামান শাহিন একই ধারায় নেতৃত্বে আসেন। নতুন করে আবার শুরু হয় ওহাব-শাহিন দ্বন্দ্ব সংঘাত আর কোন্দল। এসব কোন্দল নিরসনে যে মানুষটি অত্যান্ত অগ্রগামী ভূমিকা পালন করেন, তিনি হলেন কামররুজ্জামান উজ্জ্বল। তার নেতৃত্বে নতুন করে গঠিত হয় উপজেলা আওয়ামী লীগ, পৌর আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগসহ অন্যান্য কমিটি।
দলীয় কর্মকান্ডের পাশাপাশি একেএম কামরুজ্জামান উজ্জল রাজশাহী বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডে সেক্রেটারী ও রানার গ্রুপের কো-অর্ডিনেটরের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। কামরুজ্জামান উজ্জ্বল সুজানগর ও বেড়া এলাকায় শিক্ষা বিস্তারের ক্ষেত্রে ব্যপক ভূমিকা পালন করার পাশাপাশি বেকার সমস্যা সমাধানে নীরবে কাজ করে চলেছেন। এছাড়াও তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ছড়িয়ে দিতে তৃণমূল পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহন করেছেন এবং বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড সব শ্রেণী পেশার মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে প্রায় দুই শতাধিক উঠন বৈঠক করেছেন ওই নির্বাচনী এলাকায়।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক গ্রন্থনা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক এবং হবিবুর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি কামরুজ্জামান উজ্জ্বল দলের নেতাকর্মীদের বিপদে সব সময় পাশে থেকে বিপদ থেকে উদ্ধারে রাতদিন সময় ব্যয় করেন।
এ বিষয়ে কামরুজ্জামান উজ্জ্বল বলেন, প্রত্যেক নেতাকর্মী বা মানুষের মধ্যেই ইচ্ছা আকাংখা আছে থাকবে। তবে ইচ্ছের পাশাপাশি অঅন্তরিকতার সাথে কোন কিছু মনে লালন করলে অবশ্যই সম্ভব। আমি পাবনা-২ এলাকার গণমানুষের হয়ে কাজ করতে চাই বলেই মাঠে দিন-রাত পরিশ্রম করছি। তবে অবশ্যই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই দেশের উন্নয়নের স্বার্থে সরকারের ধারাবাহিকতা প্রয়োজন। আর সেই লক্ষ্যেই আমি কাজ করে যাচ্ছি।


কোন মন্তব্য নেই