দলীয় মনোনয়ন মূখ্য নয়, সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড প্রচারই মূল উদ্দেশ্য- আশরাফুল কবির
নিজস্ব প্রতিনিধি, পাবনামেইল টোয়েন্টিফো ডটকম:
নিজে মনোনয়ন পাওয়া মুখ্য বিষয় নয়, বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডের প্রচার প্রচারণা আর নৌকা মার্কার পক্ষে ভোট চাওয়াই তার উঠান বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য বলে জানালেন পাবনা-৩ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী আলী আশরাফুল কবির। গত দুই বছর ধরে তিনি ওই আসনের তিনটি উপজেলার প্রতিটি গ্রামে উঠান বৈঠক করে চলেছেন। তিনি প্রায় প্রতিদিন ভোড় থেকে গভীর রাত অবধি এই কাজ করে চলেছেন।
স্থানীয়রা জানান, আলী আশরাফুল কবির রাজনৈতিক ও শিক্ষাগত জীবন বর্ণাঢ্য ও সমৃদ্ধ। পাবনার ফরিদপুর উপজেলার দত্তপুঙ্গলী শালিখাপাড়ায় সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া এই তরুণ রাজনীতিবিদ ছোটবেলা থেকেই প্রখর মেধাবী ছিলেণ। ১৯৯৪ সালে এসএসসি এবং ১৯৯৬ সালে কৃতিত্বের সথে এডওয়ার্ড কলেজে থেকে এইচএসসি পাস করেন। ছাত্রাবস্থায় ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। আলী আশরাফুল কবির শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পলিটিক্যাল স্টাডিজ অ্যান্ড পাবলিক অ্যাফেয়ার্স বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর। ২০১০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জাপান স্টাডি সেন্টার, সোশ্যাল সায়েন্স ফ্যাকাল্টিতে আবারও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। এ ছাড়া তিনি বঙ্গবন্ধু ল' কলেজ থেকে এলএলবি, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার ইন রিসোর্স অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ম্যানেজমেন্ট এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন প্রজেক্ট প্ল্যানিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট সমাপ্ত করেন। ২০০৩-২০০৬ সাল পর্যন্ত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি, ২০০৫-২০০৮ সাল পর্যন্ত বর্তমান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে কাজ করেন। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটিতে সক্রিয় কাজ করেন। ২০১৩ সাল থেকে ফরিদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন উল্লেখযোগ্য গুলোর মধ্যে বড়াল পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়ন ফাউন্ডেশন ও বনমালী ললিতকলা একাডেমির মূল চালকের দায়িত্ব পালন করছেন একান্ত ও নিষ্ঠার সাথে।
স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, আলী আশরাফুল কবির আপদমস্তক আওয়ামী লীগের জন্য নিবেদিত। তিনি শুধু শিক্ষিত নন, দয়ালু এবং দলীয় নেতাকর্মীদের যে কোনো বিপদে সবসময় পাশে থাকেন। এ আসনে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হলে নৌকার বিজয় নিশ্চিত হবে বলেও জানান তারা।
এ বিষয়ে আলী আশরাফুল কবির বলেন, আমার জীবন শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের জন্য উৎসর্গ করেছি। এটি কথায় নয়, কাজে প্রমাণ করতে চাই। আমার নির্বাচনী এলাকায় প্রায় তিন শতাধিক উঠান বৈঠক করেছি। শেখ হাসিনার অর্জন মানুষের সামনে তুলে ধরতে কাজ করছি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী নিয়ে বিভিন্ন লোকজনকে দিয়েছি। মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশা দলের সব নেতারই থাকে, আমারও আছে। তবে আমার প্রধান চাওয়া শেখ হাসিনার যেন আবার ক্ষমতায় আসেন। তিনি থাকলেই আমরা থাকব। তাই তার অর্জনগুলো উঠান বৈঠকের মাধ্যমে একদম খেটে খাওয়াপ্রান্তিক জনগোষ্ঠির কাছে পৌছে দেওয়ার চেষ্টা করছি।
স্থানীয়রা জানান, আলী আশরাফুল কবির রাজনৈতিক ও শিক্ষাগত জীবন বর্ণাঢ্য ও সমৃদ্ধ। পাবনার ফরিদপুর উপজেলার দত্তপুঙ্গলী শালিখাপাড়ায় সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া এই তরুণ রাজনীতিবিদ ছোটবেলা থেকেই প্রখর মেধাবী ছিলেণ। ১৯৯৪ সালে এসএসসি এবং ১৯৯৬ সালে কৃতিত্বের সথে এডওয়ার্ড কলেজে থেকে এইচএসসি পাস করেন। ছাত্রাবস্থায় ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। আলী আশরাফুল কবির শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পলিটিক্যাল স্টাডিজ অ্যান্ড পাবলিক অ্যাফেয়ার্স বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর। ২০১০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জাপান স্টাডি সেন্টার, সোশ্যাল সায়েন্স ফ্যাকাল্টিতে আবারও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। এ ছাড়া তিনি বঙ্গবন্ধু ল' কলেজ থেকে এলএলবি, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার ইন রিসোর্স অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ম্যানেজমেন্ট এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন প্রজেক্ট প্ল্যানিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট সমাপ্ত করেন। ২০০৩-২০০৬ সাল পর্যন্ত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি, ২০০৫-২০০৮ সাল পর্যন্ত বর্তমান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে কাজ করেন। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটিতে সক্রিয় কাজ করেন। ২০১৩ সাল থেকে ফরিদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন উল্লেখযোগ্য গুলোর মধ্যে বড়াল পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়ন ফাউন্ডেশন ও বনমালী ললিতকলা একাডেমির মূল চালকের দায়িত্ব পালন করছেন একান্ত ও নিষ্ঠার সাথে।
স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, আলী আশরাফুল কবির আপদমস্তক আওয়ামী লীগের জন্য নিবেদিত। তিনি শুধু শিক্ষিত নন, দয়ালু এবং দলীয় নেতাকর্মীদের যে কোনো বিপদে সবসময় পাশে থাকেন। এ আসনে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হলে নৌকার বিজয় নিশ্চিত হবে বলেও জানান তারা।
এ বিষয়ে আলী আশরাফুল কবির বলেন, আমার জীবন শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের জন্য উৎসর্গ করেছি। এটি কথায় নয়, কাজে প্রমাণ করতে চাই। আমার নির্বাচনী এলাকায় প্রায় তিন শতাধিক উঠান বৈঠক করেছি। শেখ হাসিনার অর্জন মানুষের সামনে তুলে ধরতে কাজ করছি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী নিয়ে বিভিন্ন লোকজনকে দিয়েছি। মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশা দলের সব নেতারই থাকে, আমারও আছে। তবে আমার প্রধান চাওয়া শেখ হাসিনার যেন আবার ক্ষমতায় আসেন। তিনি থাকলেই আমরা থাকব। তাই তার অর্জনগুলো উঠান বৈঠকের মাধ্যমে একদম খেটে খাওয়াপ্রান্তিক জনগোষ্ঠির কাছে পৌছে দেওয়ার চেষ্টা করছি।


কোন মন্তব্য নেই