Pabna



পাবনায় তরুণ আলোকচিত্রীদের প্রদর্শনী শুরু

নিজস্ব প্রতিনিধি, পাবনামেইল টোয়েন্টিফোর ডটকম:
পাবনা ফটোগ্রাফার্স ফোরাম এর ৫ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জেলা শহরের তরুণ ৩৩ জন আলোকচিত্রীর ছবি নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার থেকে ১৯ দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শণী শুরু হয়েছে। শহরের ক্যাফে পাবনা রেস্তোরায় চলছে এই প্রদর্শনী।  

রাতে ক্যামেরার ফ্লিম কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন সাংবাদিকতায় একুশে পদক প্রাপ্ত সাংবাদিক ও কলামিষ্ট রণেশ মৈত্র। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খালেদ হোসেন পরাগ এর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের উত্তরাঞ্চলীয় ব্যুরো প্রধান উৎপল মির্জা, বার্তা সংস্থা পিপ এর প্রধান সম্পাদক এবিএম ফজলুর রহমান, ফোরামের উপদেষ্টা আহমেদ মোস্তফা নোমান। 

আয়োজকরা জানান, জেলা শহরের তরুণ আলোকচিত্রীদের উৎসাহিত করতে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। প্রদর্শনীতে আলোকচিত্রিরা তাঁদের সৃজনশীলতা তুলে ধরেছেন। প্রদর্শিত ছবির মধ্য থেকে সেরা ছবি বাছাই করা হবে। 

উদ্বোধনী বক্তব্যে রণেশ মৈত্র বলেন, তরুণদের শুধু পাঠ্য বই মুখ বুজে থাকলে চলবে না। বিশ্বটাকে জানতে হবে। আর ফটোগ্রাফি চর্চার তাদের নতুনভাবে জানতে ও চিনতে সাহায্য করবে। এটি বিপথ থেকে তাদের সঠিক পথের সন্ধান দেবে। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর প্রদর্শনী ঘুরে দেখা গেছে, সারি ধরে সাঁজানো নানা রঙে, নানা ঢংঙের ছবি। ফুটে উঠেছে নানা জীবনের চিত্র। ফুল পাখি লতা পাতা। সাপ ব্যাঙ টিকটিকি গিরগিটি। আছে নারীর মুখ, শিশুর হাঁসি। সবুজ প্রকৃতি, নদী ও সমদ্র। দেয়ালে লাগানো ফ্রেমে আবদ্ধ স্থিরচিত্র গুলো। প্রতিটি ছবিই যেন এক একটি গল্প। আর এসব গল্পের সাদ নিতে এসেছেন তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন বয়সী দর্শনার্থী। 
পাবনা এডওয়ার্ড কলেজের শিক্ষার্থী সাব্বির আহমেদ বলেন, ‘স্মার্ট ফোনের কারনে এখন আমাদের হাতে হাতে ক্যামেরা। না বুঝে, না জেনেই আমরা ছবি তুলি। প্রদর্শনীতে এসে ছবি তোলার বিষয়ে কিছু ধারনা তৈরি হলো।’ 

হাফিজা ফেরদৌস বলেন, ‘আমরা সমাজ ও প্রকৃতিতে প্রতিনিয়ত যে চিত্রগুলো দেখি সেটাই এ প্রদর্শনীতে উপস্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু আলোকচিত্রীর চোখে বিষয়গুলো ভিন্নমাত্রা পেয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ফোরামের সভাপতি খালেদ হাসান বলেন, জেলা শহরের এখন তরুণেরা অনেক ভালো ছবি তুলছেন। নিয়মিত এই চর্চার পাশাপাশি জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা এবং যুব সমাজকে ফটোগ্রাফিতে আগ্রহ বৃদ্ধি করতে আমাদের এই আয়োজন।

কোন মন্তব্য নেই