রাজাপুরে ছেলেধরা সন্দেহে জনতার হাত থেকে নারীসহ ৩ জনকে উদ্ধার করে পুলিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক, পাবনামেইল টোয়েন্টিফোর ডটকম:
পাবনায় ছেলে ধরা সন্দেহে জনতার হাত থেকে এক নারীসহ তিনজনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রবিবার বিকেলে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে জহুরুল ইসলাম (৩০) ও জিয়া উদ্দিন (৩৫) নামের দুইজন ও সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের দড়িভাউডাঙ্গা গ্রাম থেকে সোনিয়া খাতুন (২২) নামে এক নারীকে উদ্ধর করে পুলিশ।
সোনিয়া চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার উজিরপুর গ্রামের মোঃ মঞ্জুর হোসেনের মেয়ে। সোনিয়া বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করেন বলেও জানান পুলিশ।
জহুরুল ও জিয়া উদ্দিন মানসিক ভারসাম্যহীন ভবঘুরে। তারা নিজেদের নাম ছাড়া কিছুই বলতে পারে না। তারা রোহিঙ্গা বলে ধারণা করছে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওবাইদুল হক জানান, প্রাথমিক ভাবে আমরা জানতে পরেছি এরা তিনজনই কোনো ছেলেধরা নয়। জহুরুল ও জিয়া উদ্দিন মানসিক ভারসাম্যহীন ও ভবঘুরে। তাদের ভাষা পরিষ্কার বোঝা যায় না। তারা রোহিঙ্গা বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। এছাড়া সোনিয়া ভিক্ষুক। তাদের বিষয়ে আরও তদন্ত করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে। তিনি আরো বলেন, সারা দেশে ছেলে ধরা গুজবের কারনে আমরা খবর পেয়ে দ্রুত তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি।
পাবনার পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম বলেন, ছেলেধরা সন্দেহে কোনো গুজবে কান না দেয়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ করেন। অপরিচিত কাউকে দেখলে বা গতিবিধি সন্দেহজনক হলে পুলিশে খবর দিন। কেউ আইন হাতে তুলে নেবেন না।

কোন মন্তব্য নেই