পাবিপ্রবির প্রভোষ্ট ও ছাত্র উপদেষ্টা পদ থেকে অদক্ষতাসহ নানা অভিযোগে অব্যাহতি
প্রশাসনিক অদক্ষতা, অযোগ্যতা ও আচরণগত বিভিন্ন ত্রুটি জনিত কারণে মেয়াদ পূর্তির আগেই পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রফেসর ড. মুশফিকুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোষ্ট এবং বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আরিফ ওবায়দুল্লাহকে ছাত্র উপদেষ্টার পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিস এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বঙ্গবন্ধু হলের ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রভোষ্ট হওয়ার পর থেকে ড. মুশফিক হলে খুব কম এসেছেন। ছাত্রদের কোনো সমস্যাই তিনি সমাধানের চেষ্টা করেন নি। ডাইনিং বন্ধ থাকাসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত পড়ে বঙ্গবন্ধু হল। ফলে দীর্ঘদিনের ছাত্রদের অসন্তোসের কারনেই এমনটি হয়েছে বলে দাবী করেছেন আবাসিক শিক্ষার্থীরা।
এদিকে ছাত্র উপদেষ্টা আরিফ ওবায়দুল্লাহ বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগের পাশাপাশি জামায়াত পরিবারের সন্তানের বিষয়টিও উল্লেখ করেন ছাত্ররা। এত গুরুত্ব¡পূর্ণ প্রশাসনিক পদে দায়িত্ব পালনে সে কোনো দক্ষতার পরিচয় দিতে পারেন নি। উপরন্তু প্রকাশ্যে মিটিং এ প্রক্টরের সঙ্গে হাতাহাতি করা এবং মিটিংয়ের মধ্যে ভিসির সঙ্গে অশালীন আচরণ করার অভিযোগ রয়েছে এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
এদিকে ছাত্র উপদেষ্টা আরিফ ওবায়দুল্লাহ বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগের পাশাপাশি জামায়াত পরিবারের সন্তানের বিষয়টিও উল্লেখ করেন ছাত্ররা। এত গুরুত্ব¡পূর্ণ প্রশাসনিক পদে দায়িত্ব পালনে সে কোনো দক্ষতার পরিচয় দিতে পারেন নি। উপরন্তু প্রকাশ্যে মিটিং এ প্রক্টরের সঙ্গে হাতাহাতি করা এবং মিটিংয়ের মধ্যে ভিসির সঙ্গে অশালীন আচরণ করার অভিযোগ রয়েছে এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষকের সঙ্গে আলাপকালে তারাও এমন ধরনের তথ্য দিয়েছেন। তবে মেয়াদ পূর্তির আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদ থেকে অপসারন করার নিন্দা জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ডের দুই সদস্য ড. এম আবদুল আলীম ও আওয়াল কবির জয়। তারা নিজ নিজ ফেসবুকের ওয়ালে এই নিন্দা সম্বলিত স্ট্যাটাস দেন।
এ বিষয়ে ড. মুশফিকুর রহমান বলেন, ভিসি স্যার আমাকে বলেছেন মৌখিক ভাবে তবে লিখিত কোন পত্র পাইনি। তবে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো তিনি অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে আরিফ ওবায়দুল্লাহ নিজেকে জামায়াত পরিবারের সদস্য নয় দাবী করে বলেন, ভিসি স্যার আমাদের অভিভাবক তিনি যে ইচ্ছ করবেন সেটিই হবে। তবে মেয়াদ পূর্তির আগেই অব্যঅহতির বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছুই জানেন না বলে দাবী করেন। কি কারনে তাকে এই পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে, সে বিষয়ে সে জানেন না। তবে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো তিনি অস্বীকার করেন।
এ ব্যাপারে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. রোস্তম আলীম এর কাছে মেয়াদ পূর্তির আগেই কেন দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হলো জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার ইচ্ছে মতো আমি বদল করতে পারি। তাদেরকে দিয়ে আমি কাংখিত কাজ সম্পন্ন করতে পারছি না বলেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি দাবী করেন।
তবে, অব্যাহতি পাওয়া দুইজনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকেই শিক্ষক কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বিষয়টি ভালো চোখে নেন নাই। ভিসি সকালে এক সিদ্ধান্ত আবার দুপুরে আরেক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতোই কাজ করেছেন বলেও তারা জানান।
তবে, অব্যাহতি পাওয়া দুইজনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকেই শিক্ষক কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বিষয়টি ভালো চোখে নেন নাই। ভিসি সকালে এক সিদ্ধান্ত আবার দুপুরে আরেক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতোই কাজ করেছেন বলেও তারা জানান।



কোন মন্তব্য নেই