রুপপুর গ্রীনসিটি আবাসন প্রকল্পে বালিশ দুর্নীতির ঘটনায় গণপূর্ত’র নির্বাহী প্রকৌশলী প্রত্যাহার
নিজস্ব প্রতিনিধি, পাবনামেইল টোয়েন্টিফোর ডটকম:
পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদুৎ প্রকল্পের গ্রীন সিটি আবাসনের আসবাবপত্র কেনা ও ফ্লাটে ওঠানোয় বালিশ দূর্নীতির ঘটনায় ঘটনায় নির্বাহী প্রকৌশলীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে গণপূর্ত বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী মো: শাহাদাৎ হোসেন স্বাÿরিত একটি পত্রের মাধ্যমে পাবনা অফিসে পাঠানো হয়েছে বলে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন গণপূর্ত অধিদপ্তর পাবনা সার্কেলের সুপারেন্টেন্ড ইঞ্জিনিয়ার। ইতিপূর্বে এই বিষয়টি নিয়ে গত রোববার দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
গণপূর্ত অধিদপ্তর পাবনা সার্কেলের সুপারেন্টেন্ড ইঞ্জিনিয়ার দেবাশীস চন্দ্র সাহা বলেন, সারা দেশে রুপপুর পারমাণবিক বিদুৎ কেন্দ্রের গ্রীনন সিটি আবাসনের আসবাবপত্র কেনা ও ফ্লাটে ওঠানোকে কেন্দ্র করে বালিশ নিয়ে গনমাধ্যমে যে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে তাই নিয়েই হয়তো নির্বঅহী প্রকৌশলী মাসুদুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে ওই পত্রে তাকে রিজার্ভে নেওয়ার কথা উলেøখ করা হয়েছে।
এদিকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব এবং গণপূর্ত অধিদফতর থেকে একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর নেতৃত্বে পৃথক এ কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের বিল বন্ধ রাখার জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি দেশের অন্যতম মেগা প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদুুৎ প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসবাসের জন্য নির্মিত গ্রীনসিটিতে আসবাবপত্র ও অন্যান্য জিনিসপত্র ক্রয়ে লাগামছাড়া দুর্নীতির তথ্য ফাঁস হয়েছে। একটি বালিশের পেছনে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৬ হাজার ৭১৭ টাকা। এর মধ্যে এর দাম বাবদ ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা আর সেই বালিশ নিচ থেকে ফ্ল্যাটে ওঠাতে খরচ ৭৬০ টাকা উলেøখ করা হয়েছে। শুধু আসবাবপত্র কেনা ও ফ্ল্যাটে ওঠাতে ব্যয় হয়েছে ২৫ কোটি ৬৯ লাখ ৯২ হাজার ২৯২ টাকা। এরই মধ্যে নথিপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, এই প্রকল্পের সব পদেই অস্বাভাবিক বেতন-ভাতা ধরা হয়েছে। বেতন ছাড়াও আরও কয়েকটি খাতে অস্বাভাবিক ব্যয় ধরা হয়েছে রূপপুর পারমাণবিক বিদুুৎকেন্দ্র নির্মাণকাজ।

কোন মন্তব্য নেই