Pabna



সড়ক ও জনপথ বিভাগের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, সরকারী সম্পত্তি উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিনিধি, পাবনামেইল টোয়েন্টিফোর ডটকম:
পাবনায় মহাসড়কের দুই পাশে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে সরকারী স¤পত্তি উদ্ধার করেছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর। শুক্রবার সকালে পাবনা আব্দুল হামিদ সড়ক, অনন্তবাজার, মহিষের ডিপু থেকে টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত এ অভিযান পরিচালনা করে। এছাড়াও গত কয়েকদিন ধরেই জেলার বিভিন্ন স্থানে এই অভিযান পরিচালনা করেন তারা। 
এই উচ্ছেদ অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের যুগ্ম সচিব মাহবুবুর রহমান ফারুকী, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট খোন্দকার মাহমুদুল হাসান, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সমীরন রায়, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এর সদস্যবৃন্দ সহ আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যবৃন্দ। 
উচ্ছেদকৃত অবকাঠামোর মধ্যে রয়েছে পাকা দালান কোঠা, দোকন পাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও অবৈধ বাজার। সরকারি নির্দেশ অমান্য করে রাস্তার ধারে অবৈধ বাজার স্থাপনার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে। চলমান তিনদিনে পাবনা অঞ্চলে প্রায় তিনশত  অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
পাবনা সড়ক ও জনপদের নির্বাহী প্রকৌশলী সমিরন রায় বলেন, সরকার নির্দেশনা মোতাবেক মহাসড়কের পাশে সরকারি জায়গা অবৈধভাবে যারা দখল করে আছে জনস্বার্থে এবং সড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রাখতে এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এই অভিযানে যারা নির্দেশনা অমান্য করে সরকারের জায়গা দখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং ভবন নির্মান করেছে তাদের অনেককেই জরিমানাও করা হয়েছে। এই অভিযানে নেতৃত্ব প্রদান করেছেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের যুগ্ম সচিব মাহবুবুর রহমান ফারুকী। 
পাবনা বেড়া উপজেলার কাশিনাথপুর, আতাইকুলায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। শুক্রবার পাবনা পৌর এলাকার শহরের সড়কের জায়গা দখল মুক্ত করা হচ্ছে। শনিবার জেলার গাছপাড়া, টেবুনিয়া ও দাশুড়িয়া মোড়ে এই অভিযান চলবে। আমরা জনস্বার্থে এই অভিযান পরিচালনা করছি। সরকের গুরত্বপূর্ণ স্থানে এই অভিযান অব্যহত থাকবে বলেন জানান তিনি।
তবে ক্ষতিগ্রস্থরা ীভযোগ করেছেন, সড়ক বিভাগের লোকজন মুখ দেখে ভাংচুর চালিয়েছেন। এমনকি তারা পূর্বে কোন প্রকার ােটিশ না দিয়েই এই ভাংচুর কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন এবং মালামাল তরা ট্রাক যোগে নিয়ে গেছেন। 
এ সব বিষয়ে সড়ক বিভাগের অবৈধ দখলদার নয় এমন লোকজনেরও ক্ষতি উচ্ছেদ করা হয়েছে এমন প্রশ্নের উত্তরে সড়ক ও জনপদের নির্বাহী প্রকৌশলী সমিরন রায় বলেন, এমনটি হয়নি আমাদের অভিযানে। 
আর লোকজনের মালামাল লুট করে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টিও তিনি অস্বীকার করেন। 

কোন মন্তব্য নেই