আতাইকুলা ইউপি চেয়ারম্যানের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করায় এক ব্যাক্তিকে কুপিয়ে জখম
বিশেষ প্রতিনিধি, পাবনামেইল টোয়েন্টিফোর ডটকম:
পাবনার আতাইকুলা ইউপি চেয়ারম্যান ও তার ক্যাডারদের সন্ত্রাসী কমকান্ডের প্রতিবাদ করায় এক ব্যাক্তিকে কুপিয়ে জখম করেছে চেয়ারম্যান ও তার অনুসারী সন্ত্রাসীরা। জখম পীরপুর গ্রামের মধু হাজীর ছেলে রফিকুল ইসলাম রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আজ শনিবার সকালে পীরপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদশী ও এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত র্কমর্কতা (ওসি) নাসিরুল আলম ঘটনার সত্যতা স্বীকার জানান, আতাইকুলা ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার আতিয়ার হোসেনের সাথে তার পীরপুর গ্রামের বাসিন্দা আহত রফিকুল ইসলামের ভাতিজা শওকত হোসেন খানের সাথে বিরোধ চলে আসছে। সম্প্রতি আগামী ইউপি নিবাচনে ওই ই্উনিয়নে চেয়ারম্যান প্রাথী ঘোষনা দেওয়ায় এই বিরোধ শুরু হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে বাড়ির পাশের মালিকানাধীন জমির উপর দিয়ে রাস্তা তৈরীকে কেন্দ্র করে উভয় গ্রুপের মধ্যে ঝামেলার সষ্টি হয়। এ্রই জের ধরে ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার আতিয়ার হোসেন ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদ খান আলী এবং তার অনুসারীরা শনিবার সকালে স্বদল বলে গিয়ে তাদের উপর হামলা চালায়। এ সময় শওকত হোসেন খান এর চাচা রফিকুল ইসলামের ডান হাতে একটি কোপ লাগে। প্রথমে তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভতি করা হলে সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফাড করা হয়।
হাসাতালে চিকিৎসাধীন রফিকুল ইসলামের ছেলে রকিবুল ইসলাম বলেন, আমার বাবা একজন সহজ সরল লোক। কোন ধরনের ঝামেলা বুঝেন না। আথচ আমার বাবাকে হত্যার উদ্যোশ্যে কুপিয়ে জখম করেন। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবী করছি। থানায় মামলা করবেন বলেও জানান তিনি।
ওই এলাকার শওকত হোসেন খান বলেন, সম্প্রতি এলাকায় আমার কাজ কম দেখে মুরুব্বীরা আমাকে আগামী ইউপি নিবাচনে চেয়ারম্যান করার মনস্থির করার আতিয়অর চেয়ারম্যান ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তিনি স্থানীয় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদ খান আলীসহ একটি স্বশস্ত্র দলের সিন্ডিকেট গড়েছেন। তাদের কথার বাইরে গেলেই মারপিট করা হয়। এলাকায় ওই সিন্ডিকেট মাদক ব্যবসা করেন। কেউ তাদের বিরুদ্ধে কথা বললেই মারপিটের শিকার হতে হয়। তাই চেয়ারম্যান আতিয়ার ও আলীর বিরুদ্ধে সহজে কেউ মুখ খুলতে চায় না। সম্প্রতি চেয়ারম্যার ব্যাক্তি মালিকানাধীন একটি জমির উপর দিয়ে রাস্তা তৈরী করলে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় চেয়ারম্যান ও তার স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীরা শনিবার সকালে আমার চাচাকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে জখম করেন। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচারও দাবী করেন তিনি।
এ বিষয়ে আতাইকুলা ইউপি চেয়ারম্যান আতিয়ার হোসেন বলেন, ঝামেলার সময় আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করেছি মাত্র। এতেই আমার দোষ দিচ্ছেন। এই ঘটনার সাথে আমি জড়িত নই বলেও দাবী করেন তিনি।




কোন মন্তব্য নেই